লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারী রেজাউল ইসলাম সুমনের উপর এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে জামায়াত। ২৫ মে (সোমবার) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের আয়োজিত সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন থানা জামায়াতের আমির নুর মোহাম্মদ রাসেল। তিনি বলেন, ২৪ মে (রোববার) বিকেলে মান্দারী বাজারে বিকেলে জামায়াত নেতা রেজাউল ইসলাম সুমনের ৬০ ঈদ শুভেচ্ছা ফেষ্টুন প্রকাশে হামলা করে কেটে ফেলে বিএনপির নেতা ও সাবেক ইউপি মেম্বার আক্তার হোসেন।
পরে এ ঘটনায় তার কাছে কারণ জানতে চাইলে সে গালিগালাজ করে হুমকি দেয়। এর পর বিএনপি,ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মীদের নিয়ে মিছিল নিয়ে জামায়াত নেতা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চ্যানেল ফ্যাশনে হামলা ও ভাংচুর করে। এসময় লুটপাট করতে গেলে বাধা দেওয়া হামলকারীরা সুমন ও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের উপর হামলা করে। স্থানীয় রাসেল,রাকিব, জোবায়ের, শরীফ পাটোয়ারীসহ অর্ধশতাধিক সন্ত্রাসী এই হামলা ভাংচুরে অংশ নেয়। এ ঘটনায় দোকানের ক্রেতাসহ ৫ জন আহত হয়।
হামলার সময় লক্ষ্মীপুরের সাংবাদিকের উপস্থিত হলে বিএনপি নেতা আক্তার হোসেন ইউপি বিএনপি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের হুমকি দেয় এবং কয়েকজনকে লাঞ্চিত করে। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলত শাস্তির প্রদানের জন্য এবং নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানান।
জামায়াত নেতা রেজাউল ইসলাম খাঁন সুমন অভিযোগ করে জানান, কোন কারণ ছাড়াই আক্তার আমার পেস্টুন নষ্ট করে ফেলেছে। কারণ জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে মান্দারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর উপস্থিতিতে আমার উপর হামলা করে এবং আমার দোকানে হামলা ও ভাংচুর করে। তিনি বলেন আওয়ামীলীগের শাসন আমলে কেউ কোন দিন আমার উপর কিংবা আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর করার সাহস পায়নি। বিএনপি ক্ষমতায় মাত্র ৩ মাসের ভিতরে প্রকাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর করা হলো। আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার এবং বাধাগ্রস্থ করতে এই ধরনের ঘটনা ঘটনো হয়েছে।
সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী এ আর হাফিজ উল্যা, সহসেক্রেটারী নাছির উদ্দিন মাহমুদ, শহর শাখার আমির আবুল ফারাহ নিশান, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি মমিন উল্যা পাটোয়ারী, কাউছার হামিদ উপস্থিত ছিলেন।
